আমেরিকার বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর ভর্তি প্রক্রিয়ায় একজন প্রফেসরের সাথে যোগাযোগ কতটুকু ভূমিকা রাখে, সেই বিষয়টা আমার কাছে ততটা স্পষ্ট নয়। তবে ...


আমেরিকার বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর ভর্তি প্রক্রিয়ায় একজন প্রফেসরের সাথে যোগাযোগ কতটুকু ভূমিকা রাখে, সেই বিষয়টা আমার কাছে ততটা স্পষ্ট নয়। তবে ক্ষুদ্র অভিজ্ঞতার আলোকে এতটুকু বলতে পারি, যদিও একটি ভাল প্রোফাইল এর কোন বিকল্প হয়না, তবে তার সাথে যদি যুক্ত হয় প্রফেসসরদের সাথে সামান্য যোগাযোগ, সেটা ভর্তি প্রক্রিয়াকে আরেকটু ত্বরান্বিত করবে-নিঃসন্দেহে।
প্রফেসসরেদের সাথে যোগাযোগ করাটা সহজ না মোটেও। অনেকেই শখানেক ইমেইল করে উত্তর পান হাতে গোনা দুচারটা। তবে কোন ভর্তি ইচ্ছুক শিক্ষার্থী যদি মনেপ্রানে প্রফেসসরদের সাথে যোগাযোগ করতে চান, তবে সেটার জন্য তাকে কিছুটা সময় আর শ্রম দিতেই হবে।
প্রথমেই যেটা করা যেতে পারে তা হল, নিজের প্রোফাইল অনুযায়ী নির্বাচিত বিশ্ববিদ্যালয়ের ওয়েবসাইট টা পুরোটা একবার দেখে নেয়া, তারপর পছন্দের বিষয়ে কর্মরত শিক্ষকদের প্রোফাইল টায় একবার চোখ বুলিয়ে নেয়া। এইসময় যার যার কাজ আপনার সাথে অনেকটাই মিলে যাবে তাদের আলাদা করে ফেলতে হবে।
এবার শুরু আসল কাজ- আলাদা করে নেয়া প্রফেসরদের আদ্দপান্ত জানার চেষ্টা করা। তাদের গবেষণা, অনন্যা কাজ, সাম্প্রতিক অংশগ্রহণ সবকিছুর একটা সম্যক ধারনা নিতে হবে। প্রফেসসরদের সবচে আগ্রহের বিষয়টা বের করতে পারলে ত কথাই নেই। শুরু করা যেতে পারে একটা ইমেইল লেখা। খুব ছোট করে মুল কথাগুলোকে উল্লেখ করে পাঠিয়ে দিতে হবে তার সাথে কাজ করার আগ্রহের কথা। চাইলে নিজের সিভি সংযুক্ত করা যেতেই পারে। যতটা পরিশ্রম আপনি সততার সাথে করবেন এইখেত্রে আপনার উত্তর পাবার সম্ভাবনা ততটাই বেড়ে যাবার কথা- একবার চেষ্টা করে দেখুনি না কি হয়।
অনেকের মনেই প্রশ্ন, প্রফেসরদের সাথে প্রথম আলাপচারিতা কেমন হবে। প্রফেসরকে একটা ইমেইল লিখার আগে অবশ্যই আপনাকে যথেষ্ট হোম ওয়ার্ক করে নিতে হবে। আপনার সাথে যার কাজের অনেকটাই মিল খুঁজে পাবেন তাকে নিয়ে শুরু করে দিন আপনার রিসার্চ। গুগল, ইউটিউব, রিসার্চ গেট- আর যা যা ওয়েবসাইট ঘাটাঘাটি করা সম্ভব, সবগুলোতেই একটা ঢুঁ মেরে আসতে পারেন, সর্বোপরি বের করার চেষ্টা করবেন, ওই প্রফেসরের সবচে আলোচিত এবং পছন্দের কাজ খানা। তারপর ছোট করে একটা ইমেইল লিখে ফেলেন, নিজে কয়েকবার পড়ে দেখুন কোন ভুল বা বিরক্তির উদ্রেক করতে পারে- এমন কিছু আছে কিনা, থাকলেই ব্যাকস্পেস চাপুন এবং বাড়তি কথাগুলোকে মুছে মূলকথাটি গুছিয়ে নিন। এবার সাহস করে পাঠিয়ে দিন ইমেইলটি। প্রথম আলাপে আপনার পড়াশোনা, রিসার্চ, কাজের অভিজ্ঞতা এসব তুলে ধরতে পারেন। সাথে এটাও জিজ্ঞেস করে নিবেন যে, এই বছর উনি নুতন কাউকে তার ল্যাবএ নিচ্ছে কিনা। ব্যাস! এবার অপেক্ষা করুন, আর হে, ইমেইল এর উত্তর না পেলে হতাশ হবেন না মোটেও, ৭-৮ দিন পর আবার একবার ঐ প্রফেসরকেই আরেকটা ইমেইল করতেই পারেন- এতে কোন সমস্যা থাকার কথা না।
GRE দেবার আগে না পরে, প্রফেসরদের সাথে যোগাযোগ করা ভাল- তা নিয়ে অনেকের মাঝেই সংশয় রয়েছে । আমার মনে হয় আপনি যে বছরের জন্য ( যেমনঃ ফল’১৫) অ্যাপ্লাই করবেন বলে ঠিক করেছেন, তার আগের বছর ( অর্থাৎ ২০১৪) থেকে প্রফেসরদের ইমেইল করা আরম্ভ করতে পারেন। GRE দেবার আগে যে ইমেইল টা করবেন, সেখানে উল্লেখ করে দিবেন যে, আপনি GRE রেজিস্ট্রেশান করেছেন এবং খুব শীঘ্রই পরীক্ষায় অংশ নিবেন, স্কোর পাবার পর তাকে অবশ্যই জানাবেন, তাহলেই আর সমস্যা থাকল না। সেইখেত্রে আপনি GRE দেবার আগেই কিন্তু যোগাযোগ করতে পারবেন, এতে হাতে অনেকটা সময়ও পাওয়া যাবে প্রফেসরকে রাজি করানোর জন্য। অনেক সময় কিন্তু এটাও দেখা যায় যে, আগে থেকেই প্রফেসরের সাথে যোগাযোগ থাকলে, স্কোর কিছুটা কম হলেও প্রফেসর চাইলে আপনি অ্যাপ্লাই করতে পারবেন। কাজেই যোগাযোগ টা আগে থেকেই শুরু করা ভাল, অন্তত কোন ক্ষতি তো নেই, কিন্তু লাভ হলেও হতে পারে।
আগে থেকে যোগাযোগ করার অনেকগুলোই সুবিধা আছে, যেমন কেও রাজি হলে সেই ইউনিভার্সিটি তে আপনি স্কোর পাঠাতে পারবেন। রাজি না হলে, নিজের প্রোফাইল অনুযায়ী স্কোর পাঠাতে হবে। সব তো আর নিয়ম মেনে হবে না, তবে চেষ্টা করতে সমস্যা কোথায়? হয়ত দেখা যাবে, ৫০ জনকে ইমেইল করলে, ১০ জনের কাছ থেকে নেগেটিভ উত্তর পাবেন, যে এই বছর স্টুডেন্ট নিচ্ছে না। ২০ জন হয়ত উত্তর দিল না। ১০ জন বলল উনি এখনও জানেনা কয়জন কে নিবেন। আর বাকি ১০ জনের মাঝে অন্তত একজন ও যদি পজিটিভ উত্তর দেয়! কাজেই চেষ্টা করতে ক্ষতি কি?

জিআরই/জিম্যাট/এসএটি/আইবিএ(এমবিএ)/আয়েল্টস/টোফেল পরীক্ষার প্রস্তুতিতে সবচেয়ে নীরস এবং সময় স্বাপেক্ষ অংশ হচ্ছে ভার্বাল (ইংরেজি সেকশনের) ভোকাব...

জিআরই/জিম্যাট/এসএটি/আইবিএ(এমবিএ)/আয়েল্টস/টোফেল পরীক্ষার প্রস্তুতিতে সবচেয়ে নীরস এবং সময় স্বাপেক্ষ অংশ হচ্ছে ভার্বাল (ইংরেজি সেকশনের) ভোকাবুলারি পার্ট। যদিও কোন পরীক্ষায় সরাসরি ভোকাবুলারি আসতে নাও পারে, তবে ইংরেজি অংশে (ভার্বাল সেকশনে) ভালো দখল আনার জন্য ভোকাবুলারি জানার কোন বিকল্প নেই।
পদ্ধতি-১: বেশি বেশি পড়া
  • পড়ার কোন বিকল্প নেই। যাদের সরাসরি কোন বইয়ের শব্দ মুখস্ত করতে মনোযোগ ধরে রাখা কঠিন, তাদের জন্য সবচেয়ে ভালো উপায় হচ্ছে পড়া। পড়তে হবে স্ট্যান্ডার্ড/আমেরিকান  স্ট্যান্ডার্ড মানের লেখা- হতে পারে কোন গল্পের বই, নিউজ পেপার, সায়েন্টিফিক জার্নাল অথবা মজার কোন ঘটনা। এই পদ্ধতিতে সবচেয়ে ভালো উপায় হচ্ছে সাথে একটি নোট বুক রাখা অথবা যারা কম্পিউটারে স্টাডি করতে পছন্দ করেন তাদের জন্য উত্তম হতে পারে কুইজলেট নামক ওয়েব সাইট। পড়ারা সময় অজানা যে শব্দগুলো সামনে আসবে (মার্ক করে শুরুতে হাইলাইট করে রাখা যেতে পারে এবং পরে সেই শব্দকে নোট করতে হবে) তা কোন হার্ড কপি নোটবুক বা অনলাইন নোটবুকে তুলে রাখা। নোট করার সময় ডিকশনারী বা অনলাইন ডিসশনারী থেকে শব্দের অর্থ এবং আপনি যে আর্টিকেল বা বই পড়ছেন সেখান থেকে এই শব্দযুক্ত বাক্যটি তুলে রাখতে পারেন।
  • এই শব্দগুলোকে মাঝে মাঝে পড়তে হবে এবং গল্প অথবা ঘটনাটি মনে করার চেষ্টা করতে হবে। এভাবে কয়েকবার চালিয়ে যেতে পারলে আপনার জন্য শব্দের অর্থ এবং প্রয়োগ- দুইটি বিষয় একসাথে আয়ত্ত্বে আনতে পারবেন।
পদ্ধতি-২: রুট অ্যানালাইসিস
  • কম সময়ে বেশি শব্দ শেখার জন্য সবচেয়ে কার্যকরি উপায় হচ্ছে রুট অ্যানালাইসিস। একটি শব্দের বেসিক রুট জানা থাকলে, কাছাকাছি পর্যায়ের আরো কিছু শব্দের অর্থ আন্দাজ করা যায়।
  • যেমন: ambi একটি ল্যাটিন রুট, যার অর্থ হচ্ছে both. এখন যদি ambidextrous (able to use both hands equally), ambiguous (having more than one meaning), ambivalence (conflicting or opposite feelings toward a person or thing) শব্দ আমাদের সামনে আসে এবং ambi রুট সম্পর্কে আইডিয়া থাকে তাহলে এই শব্দের অর্থ মনে করা সহজসাধ্য হবে।
  • রুট দিয়ে শেখার আরো একটি উপায় হতে পারে সাফিক্স (যে অংশ শব্দের শেষের দিকে থাকে) এবং প্রিফিক্স (যে অংশগুলো শব্দের শুরুর দিকে থাকে)।
  • এই পদ্ধতিতে শব্দ আয়ত্ত্বে আনার জন্য আগে থেকে শব্দের সাথে পরিচয় থাকা জরুরি।
পদ্ধতি-৩: ফ্ল্যাশ কার্ড
screenshot-flashcards
  • অনেকটা কার্ড গেমস খেলার মতো। কার্ড গেমসে এক পাশে ব্ল্যাংক থাকে এবং অন্যপাশে থাকে কার্ডের নাম্বার এবং ভ্যালু। ঠিক অনুরূপভাবে ফ্ল্যাশ কার্ডের একপাশে শব্দ থাকবে অন্য পাশে সে শব্দের অর্থ এবং কোনক্ষেত্রে সেন্টেন্সসহ থাকবে।
  • ধরা যাক, আপনি শব্দ মুখস্ত করতে চাচ্ছেন একবার পড়বেন- এক সপ্তাহ পড়ে আবার ভুলে যাবেন। কিছুটা মধুর সমস্যা। এই সমস্যা কাটিয়ে উঠতে ফ্ল্যাশ কার্ড অনেক কার্যকরি। যে শব্দগুলো ভুলে যাচ্ছেন বা মনে রাখতে পারছেন না, সেগুলো দিয়ে নিজেই ফ্ল্যাশ কার্ড বানিয়ে ফেলতে পারেন।
  • বাইরে কোথাও যাওয়ার সময় কার্ড সাথে রাখতে পারেন। পড়ার টেবিলে কোথাও রেখে দিতে পারেন। কিছুক্ষণ পর পর শব্দগুলোতে চোখ বুলাতে পারেন। এতে করে অজানা শব্দ মনে করা সহজ হবে।
পদ্ধতি-৪: কনটেক্সট বুঝা
  • কনটেক্সট মানে হচ্ছে শব্দের প্রয়োগ। শব্দের অর্থ শেখার জন্য কনটেক্সট অনেক বেশি জরুরি। ধরা যাক, champion একটি শব্দ। যখন noun হিসেবে ব্যবহার হবে তখন তার অর্থ হবে বিজয়ী। যেমন- Winning the final match Bangladesh became champion. আবার এই champion যখন verb হিসেবে ব্যবহার হবে তখন তা সমর্থন করাকে বুঝাবে। যেমন: The UN ambassador championed the new policy of global warming.
  • কাজেই কনটেক্স অনুযায়ী একই শব্দ ভিন্ন ভিন্ন অর্থ প্রকাশ করতে পারে। এই পরিবর্তনগুলোর সাথে মানিয়ে নেওয়ার জন্য কনটেক্সট শেখা গুরুত্বপূর্ণ।
  • এই পদ্ধতিতে ভোকাবুলারি আয়ত্বে আনার জন্য বেশি বেশি আর্টিকেল অথবা গল্পের বই পড়তে হবে। কিভাবে প্রয়োগ হচ্ছে সে সম্পর্কে আইডিয়া নিতে হবে।
পদ্ধতি-৫: নেমোনিক
  • নেমোনিক হচ্ছে শব্দ মনে রাখার ছন্দ বা কোন ছবি বা কোন ঘটনা।
screenshot_1
  • যেমন: bellicose মানে হচ্ছে যুদ্ধবাজ, ঝগড়া করার জন্য সদা প্রস্তুত। এই শব্দটিকে belli+cose>belly+কুস্তি>যে সব সময় কুস্তি খেলার জন্য বেলিতে গিট বেঁধে রাখে।  কাজেই শব্দ দিয়ে এভাবে ছন্দ বা গল্প বানিয়ে রাখতে পারেন তাহলে অর্থ কল্পনা করা সহজ হবে।
  • এই পদ্ধতিতে আগে থেকে শব্দ মুখস্ত থাকা জরুরি। এবং যারা নিজেরা নেমনিক বানাতে চান না, অনলাইন থেকে পড়তে চান তারা নেমোনিক ডিকশনারীর সাহায্য নিতে পারেন।
পদ্ধতি-৬: শব্দের রূপান্তর জানা
  • কম শব্দ শিখে বেশি অর্থ অনুমান করার জন্য শব্দের রূপান্তর জানা প্রয়োজনীয়।
  • যেমন: advance শব্দটির ক্ষেত্রে কিছু রূপান্তর দেখা যাক।
presentation1

শব্দ শেখার জন্য মোবাইল অ্যাপস কার্যকরি ভূমিকা পালন করতে পারে। যেমন: মাগুশমাগুশ ফ্ল্যাশকার্ড এবং পেইনলেস জিআরই খুবই কার্যকরি।

এই আর্টিকেলটি পড়ার পরিবর্তে ভিডিও থেকেও জেনে নিতে পারেন। উচ্চ শিক্ষা অর্জনে জিআরই গুরুত্বপূর্ণ। জিআরই স্কোর যত ভালো করা যায় ততবে...




এই আর্টিকেলটি পড়ার পরিবর্তে ভিডিও থেকেও জেনে নিতে পারেন।
Topic-Summary
উচ্চ শিক্ষা অর্জনে জিআরই গুরুত্বপূর্ণ। জিআরই স্কোর যত ভালো করা যায় ততবেশি সুযোগ পাওয়া যায়। ৩৪০ নাম্বারের এই পরীক্ষায় কেউ কেউ ৩১০ এর উপরে পেয়েও সঠিক তথ্যের অভাবে অ্যাডমিশন পেতে ব্যর্থ হয়। আবার কেউ ২৯০ পেয়েও ফুল ফান্ডিং পাচ্ছেন। এর পেছেনের মূল কারন জিআরই স্কোর, ভার্সিটি র‌্যাংকিং এবং কোন ডিপার্টমেন্ট/সাবজেক্টের জন্য কতো জিআরই স্কোর নিরাপদ সে বিষয়ে ধারণা না থাকা।
এই আর্টিকেলে তাই কোন ডিপার্টমেন্ট/সাবজেক্টের জন্য কতো জিআরই স্কোর থাকা ভালো, কতো স্কোর করতে পারলে নিরাপদ জোনে থাকা যাবে, ভার্বাল এবং কোয়ান্ট উভয় সেকশনে কতো স্কোরকে ঐ বিষয়ের জন্য উপযুক্ত স্কোর বলা যাবে-সে বিষয়ে তুলনামূলক ধারণা পাওয়া যাবে।

1) Physical Sciences:

Physical Science সম্পর্কিত বিভিন্ন বিষয় যেমন- রসায়ন, কম্পিউটার বিজ্ঞান, তথ্য প্রযুক্তি, গণিত।
Screenshot_1Screenshot_2Screenshot_4Screenshot_5Screenshot_6

2) Life Sciences:

মেডিকেল, বায়ো-মেডিকেল, এগ্রিকারচার ইত্যাদি লাইফ সাইন্সের অন্তর্ভূক্ত। 
Screenshot_2Screenshot_3Screenshot_4Screenshot_5

3) Social Sciences:

নৃতত্ববিজ্ঞান, অর্থনীতি, রাজনৈতিক বিজ্ঞান, সাইকোলজি, সোসিওলজি-ইত্যাদি বিষয়গুলো Social Science এর আওতায় চলে আসে।
Screenshot_2Screenshot_3Screenshot_4Screenshot_5Screenshot_6Screenshot_7

4) Engineering:

ইঞ্জিনিয়ারিং সাবজেক্ট গুলোর জন্য জিআরই রিকোয়ারমেন্ট তুলনামূলকভাবে সবচেয়ে বেশি চাওয়া হয়।
Screenshot_2Screenshot_3Screenshot_4Screenshot_5Screenshot_6Screenshot_7Screenshot_8

Screenshot_3

5) Business:

Screenshot_2Screenshot_3Screenshot_4Screenshot_5

6) Other Subject:

Screenshot_2Screenshot_3Screenshot_4Screenshot_5

(Visited 33,343 times, 6 visits today)

জিআরই তে কি কি বই পড়বেন তা জানার আগে আপনাকে জানতে হবে জিআরই পরীক্ষায় কি কি বিষয় থাকবে। এ বিষয়ে বিশদ ধারণা পেতে আমাদের  জিআরই পরীক্ষার ক...


জিআরই তে কি কি বই পড়বেন তা জানার আগে আপনাকে জানতে হবে জিআরই পরীক্ষায় কি কি বিষয় থাকবে। এ বিষয়ে বিশদ ধারণা পেতে আমাদের জিআরই পরীক্ষার কাঠামো শিরোনামের আর্টিকেলটি আগেভাগে পড়ে নিতে পারেন।
যেহেতু জিআরই পরীক্ষা তিনটি ভাগে অনুষ্ঠিত হয়। সে কারনে জিআরই প্রস্তুতি পর্বকে আমরা আলাদা তিনটি ভাগে ভাগ করে নিতে পারি। যে তিনটি ভাগে আলাদা করে কি কি বই দরকার হবে সে বিষয়ে আলোকপাত করা হবে। প্রতিটি বইয়ের নামের উপর ক্লিক করলে আপনি আলাদাভাবে চাইলে রিভিউ দেখতে পারবেন।

১) Verbal Section:

এই সেকশনের মূল ভিত্তি ভোকাবুলারি। সেই সাথে রিডিং কম্প্রিহিনশন, টেক্সট কমপ্লিশন তো থাকছেই।

ভোকাবুলারিতে দক্ষতা বাড়ানো:

যদিও জিআরই পরীক্ষায় সরাসরি ভোকাবুলারি আসবে না কিন্তু জিআরই তে ভালো স্কোরের জন্য চাই ভোকাবুলারির উপর ভালো দক্ষতা। ভোকাবুলারির উপর আপনার দক্ষতা যতো বাড়বে ভার্বাল অংশ আপনার কাছে ততো বেশি সহজবোধ্য মনে হবে। সে কারনে জিআরই প্রস্তুতির শুরুতেই আপনার ভোকাবুলারি আয়ত্নে আনতে হবে। সে কারনে আপনার কয়েকটি ভোকাবুলারি সমৃদ্ধ করার বই কাছে থাকা প্রয়োজন।
যেমন:
আমাদের সাজেশন: সবার আগে Barron’s High Frequency 333 দিয়ে শুরু করা উচিত। কেননা শুরুতেই অনেকে বড় লিস্ট পড়তে যেয়ে রিদম হারিয়ে ফেলতে পারে। এরপর মাগুশ জিআরই ১০০০ ওয়ার্ড পড়তে পারেন। এর সাথে Word Smart 1&2 শেষ করতে পারলে জিআরই পরীক্ষার জন্য যথেষ্ট প্রস্তুত হিসেবে গণ্য হবে। আবার কেউ যদি শব্দ নিয়ে একটু খেলা করতে পছন্দ করেন, তবে তার জন্য Word Power Made Easy বইটি সংগ্রহ করা উচিত, এখানে প্রতিটি শব্দে রুট দিয়ে ভেঙ্গে ভেঙ্গে বিশ্লেষণ করা আছে।  

রিডিং কম্প্রিহিনশন, সেন্টেন্স এবং টেক্সট কমপ্লিশনে চাই ভালো প্রস্তুতি:

জিআরই পরীক্ষার আগে আপনি যতো বেশি রিডিং কম্প্রিহিনশন এবং টেক্সট কমপ্লিশন শেষ করবেন আপনার জন্য জিআরই পরীক্ষার প্রশ্ন ততো বেশি সহজসাধ্য মনে হবে। আপনার স্কোর ভালো আসবে। সে কারনে চাই বেশি বেশি অনুশীলন। এবং অনুশীলনে আপনার কাছে নিচের বইগুলো থাকা জরুরী-
আমাদের সাজেশন: শুরুতেই ETS Official GRE Verbal Reasoning (Practice Questions) ভালোভাবে পড়ে নেওয়া উচিত। সেই সাথে আপনার কোথায় কোথায় দুর্বলতা আছে সেই দিকগুলো খুঁজে বের করতে হবে। আপনার দুর্বলতা অনুযায়ী নিচের বইগুলো থেকে ভালোভাবে প্রস্তুতি নিতে পারেন। 

2) Quantitative Section:

এই সেকশনে আপনার গণিতের দক্ষতা যাচাই করা হবে। সে কারনে আপনাকে গণিতের ভালো প্রস্তুতি থাকতে হবে। আর এই প্রস্তুতির জন্য চাই বই।
আমাদের সাজেশন: শুরুতেই ETS Official GRE Quantitative Reasoning (Practice Questions) বই সমাধান করা উচিত। যে অংশে আপনার দুর্বলতা থাকবে সে অংশ আপনাকে নোট ডাউন করে রাখতে হবে। এই বইটি শেষে Manhattan 1-6, Manhattan 5LB এবং Nova Math Bible বইগুলো থেকে আপনার প্রস্তুতি পুরোপুরি ঝালিয়ে নিতে পারবেন। এছাড়া, নবম শ্রেণীর বীজগণিত ও জ্যামিতি বইয়ের অংক ও সূত্রগুলো দখলে রাখা উচিত। এতে করে যে কোনো গাণিতিক সমস্যা সমাধান করা আপনার জন্য সহজ হবে

৩) Analytical Writing Section:

রাইটিং অংশে ভালো করার জন্য বেশি জরুরি নিয়ম-কানুন জানা। নিয়ম-কানুন জানতে এবং সেগুলো আয়ত্ত্বে আনতে নিচের বইগুলো পড়তে পারেন।
আমাদের সাজেশন: রাইটিং অংশে সবচেয়ে জরুরি কিভাবে কি লিখতে হবে সে সম্পর্কে[ জানা। সেজন্য আপনি ETS Official GRE Verbal Reasoning (Practice Questions) বইটা ভালোভাবে ঝালিয়ে নিতে পারেন। এর বাইরে বিদেশী পত্রিকা New York Times, Economics ইত্যাদি পড়তে পারেন। এতে আপনার লেখায় অন্য রকম আর্ট আসবে।

IELTS এর জন্য দরকারী সব বইয়ের সমাহার।  1- American Accent Training.  book(click) ,  CD click -1    CD-2 ,  CD -3 ,  CD -4 , ...





IELTS এর জন্য দরকারী সব বইয়ের সমাহার। 
1- American Accent Training.  book(click)CD click -1
   CD-2CD -3CD -4, CD-5
3- IELTS LEADER
BOOK -- HERE
5- IELTS TRAINER. BOOKCD 1, CD 2, CD 3
  THE NEW PREPARE FOR IELTS -
Academic Module
FULL HERE
( you should create an account to download the file
directly.)
8- Tree_or_Three. PDFAUDIO
9- Complete IELTS Brand 5-6.5
BOOK - AUDIO ( Pass: aacenglish )
10- LONGMAN Test Plus ( 3 parts)
1- Here
2- Here
3- Here
ফেসবুকে আমি শাওন
follow me on google + for new update

মালয়েশিয়ায় উচ্চ শিক্ষা মালয়েশিয়া বর্তমানে শুধুমাত্র এশিয়ার মধ্যেই নয়, বরং সারাবিশ্বে একটি উন্নত দেশ হিসাবে ব্যাপক পরিচিতি লাভ করে...

মালয়েশিয়ায় উচ্চ শিক্ষা
মালয়েশিয়া বর্তমানে শুধুমাত্র এশিয়ার মধ্যেই নয়, বরং সারাবিশ্বে একটি উন্নত দেশ হিসাবে ব্যাপক পরিচিতি লাভ করেছে। শিক্ষা, সংস্কৃতি, বিজ্ঞান, প্রযুক্তি সর্বক্ষেত্রে মালয়েশিয়া পৃথিবীর বুকে একটি
মডেল হিসাবে বিবেচিত হচ্ছে। আর তাই বিশ্ববাসীর নজর এখন এশিয়ার এই দেশটির দিকে। শিক্ষা ক্ষেত্রে মালয়েশিয়া সাম্প্রতিক বছরগুলোতে করেছে অভূতপূর্ব উন্নতি। সারা মালয়েশিয়া জুড়ে ছড়িয়ে রয়েছে অসংখ্য উন্নতমানের উচ্চ শিক্ষা প্রতিষ্ঠান। বিশ্বের বিভিন্ন দেশের ছাত্রছাত্রীরা বিশেষত দক্ষিণ ও দক্ষিণ পূর্ব
এশিয়া ও আফ্রিকার বিভিন্ন দেশের ছাত্রছাত্রীরা উচ্চ শিক্ষা গ্রহনের জন্য মালয়েশিয়ায়
পাড়ি জমাচ্ছে। বাংলাদেশ থেকেও প্রতিবছর উল্লেখযোগ্য সংখ্যক ছাত্রছাত্রী মালয়েশিয়ায় পড়তে যাচ্ছে।








উচ্চ শিক্ষা ব্যবস্থা
মালয়েশিয়ায় উচ্চ শিক্ষা ব্যবস্থা ৪টি পর্যায়ে বিন্যস্ত। এগুলো হচ্ছে-
ডিপ্লোমা কোর্স- ২ থেকে ৩ বৎসর মেয়াদী
আন্ডার গ্র্যাজুয়েট কোর্স- ৩ থেকে ৫ বৎসর মেয়াদী
পোস্ট গ্র্যাজুয়েট কোর্স- ১ থেকে ২ বৎসর মেয়াদী
ডক্টরাল (PhD) কোর্স- ৩-৫ বৎসর মেয়াদী এখানকার উচ্চ শিক্ষা ব্যবস্থা
সেমিষ্টার ভিত্তিক।প্রতি শিক্ষা বর্ষ ৩টি সেমিষ্টারে বিভক্ত। যথা:
১ম সেমিষ্টার : জানুয়ারী-এপ্রিল
২য় সেমিষ্টার: মে-আগষ্ট
৩য় সেমিষ্টার: সেপ্টেম্বর-ডিসেম্বর
ন্যূনতম শিক্ষাগত যোগ্যতা
আন্ডার গ্র্যাজুয়েট কোর্সের জন্য ন্যূনতম ১২ বৎসরের পূর্বতন শিক্ষা অর্থাৎ উচ্চ মাধ্যমিক সমমানের
শিক্ষা পোস্ট গ্র্যাজুয়েট প্রোগ্রামের জন্য ন্যূনতম ১৬ বৎসরের পূর্বতন শিক্ষা অর্থাৎ ব্যাচেলর ডিগ্রীধারী
ডিপ্লোমা কোর্সের জন্য নূনতম উচ্চ মাধ্যমিক সার্টিফিকেট ডক্টরাল (PhD) কোর্সের জন্য পোস্ট গ্র্যাজুয়েট ডিগ্রী এবং ব্যাপক গবেষণালব্ধ অভিজ্ঞতা।

ভাষাগত যোগ্যতা
মালয়েশিয়ায় আন্ডার গ্র্যাজুয়েট ও পোস্ট গ্র্যাজুয়েট পড়াশুনার জন্য বিদেশী শিক্ষার্থীদের
ইংরেজী ভাষার নিম্নোক্ত যেকোন একটি যোগ্যতা থাকতে হবে।
TOEFL CBT SCORE 173 to 250
TOEFL IBT SCORE 61 to 100
IELTS (academic) 6.0 to 7.0
যেসব বিষয় পড়ানো হয়
মালয়েশিয়ার উচ্চ শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলোতে অসংখ্য বিষয়ে পাঠদান করা হয়। নিচে মালয়েশিয়ায় উচ্চ শিক্ষার জন্য আদর্শ বিষয়গুলো উল্লেখ করা হলো:
বিজনেস ম্যানেজমেন্ট
ইনফরমেশন সায়েন্স এন্ড
টেকনোলজি
মেডিসিন
ভেটেরেনারী মেডিসিন
মর্ডার্ন ল্যাঙ্গুয়েজ এন্ড
কমিউনিকেশন
ফার্মাসিউটিক্যাল সায়েন্স
বিজনেস অ্যাডমিনিস্ট্রেশন
চার্টার্ড একাউন্টেন্সি
হেলথ সায়েন্সেস
ইঞ্জিনিয়ারিং
এগ্রিকালচার
ফরেস্ট্রি
ইসলামিক ষ্টাডিজ
সোশ্যাল সায়েন্স এন্ড
হিউম্যানিটিজ
এনভায়রোনমেন্টাল সায়েন্স
ডিজাইন এন্ড আর্কিটেকচার
বিদেশে শিক্ষার্থীদের জন্য
মালয়েমিয়ার সেরা
বিশ্ববিদ্যালয় গুলো হচ্ছে:

University Technology Malaysia
University Tun Hussein Onn Malaysia
University Utara Malaysia
University of Malaya
University Technical Malaysia Melaca
University Sains Islam Malaysia
Tunku Abdul Rahman University
UCSL University
University of Kualalumpur
Malaysia Theological University
Panang Medical College
Wawsan Open University
University Technology Petronas
Swinburne University of Technology Sarawak Campus
Al-Madinah International University

বিদেশী শিক্ষার্থীদের আবেদন প্রক্রিয়া আগ্রহী বিদেশী শিক্ষার্থীকে সর্বপ্রথম ইন্টারনেট থেকে তার পছন্দের বিশ্ববিদ্যালয়গু্লোর একটি
তালিকা প্রস্তুত করতে হবে। অত:পর তাকে জানতে হবে তিনি যে বিভাগে ভর্তি হতে চান নির্দিষ্ট বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর সে বিভাগে ভর্তির আবেদনের শেষ সময়সীমা কবে নাগাদ বিদ্যমান। প্রতিষ্ঠানটির ভর্তি অফিস বরাবর
ভর্তি তথ্য এবং আবেদন ফর্মের জন্য সরাসরি লিখতে হবে। বিশ্ববিদ্যালয়ের ওয়েবসাইট থেকেও সরাসরি আবেদন ফর্ম ডাউনলোড করে নেয়া যেতে পারে।

কিছু বিশ্ববিদ্যালয়ে অন-লাইন আবেদন প্রক্রিয়া চালু আছে। ভর্তি অফিস থেকে আপনাকে
আবেদনপত্র, ট্রান্সক্রিপ্ট এবং প্রয়োজনীয় কাগজপত্র সংক্রান্ত সব তথ্য জানাবে।
আপনাকে উচ্চ শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলোতে “student pass” এর জন্য আবেদন করতে হবে।
আপনার পক্ষে আপনার পছন্দের শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ইমিগ্রেশন হেডকোয়ার্টার্স এর “পরিচালক, পাস ও পারমিট বিভাগ” বরাবর আবেদন করবে।

আবেদনের ১ মাসের ভেতর ইমিগ্রেশন কর্তৃপক্ষ সংশ্লিষ্ট শিক্ষা প্রতিষ্ঠানকে অবহিত করবে।
প্রয়োজনীয় সব কাগজপত্র এবং তথ্যাবলী সংগ্রহের জন্য আপনাকে কমপক্ষে ৬ মাস সময় হাতে রেখে প্রস্ততি শুরু করতে হবে। আবেদনপত্র প্রক্রিয়াকরন, “Student pass” অনুমোদন এবং ভিসা ইস্যু ইত্যাদি সবকিছু মালয়েশিয়া থেকে সম্পন্ন করা হয়।

প্রয়োজনীয় কাগজপত্র যথাযথভাবে পূরণকৃত আবেদনপত্র সকল শিক্ষাগত যোগ্যতার সনদের (এবং মার্কশীটের) ইংরেজি ট্রান্সক্রিপ্ট স্কুল/কলেজ ত্যাগের ছাড়পত্র TOEFL অথবা IELTS টেস্টের রেজাল্ট শীট পাসপোর্টের ফটোকপি আবেদন ফি পরিশোধের প্রমানপত্র Security/Personal bond ফি পরিশোধের প্রমাণপত্র Student pass এর ভিসা ফি পরিশোধের প্রমাণপত্র।


শিক্ষা ব্যয় মালয়েশিয়ান পাবলিক/প্রাইভেট বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে আন্ডার গ্র্যাজুয়েট পর্যায়ে টিউশন ফি ৮৮২১ মার্কিন ডলার থেকে ১৭৬৪২ ডলার (সর্বমোট) মাষ্টার্স পর্যায়ে খরচ পড়বে ৫৫৮৬ মার্কিন ডলার থেকে ১০২৯১ মার্কিন ডলার (সর্বমোট) ডক্টরেট ডিগ্রীর গবেষনার জন্য খরচ পড়বে ৮৮২১ মার্কিন ডলার থেকে ১০২৯১ মার্কিন ডলার।

জীবনযাত্রার ব্যয়

মালয়েশিয়ায় একজন বিদেশী ছাত্র/ছাত্রীর জীবনযাত্রার বাৎসরিক ব্যয় ২৭০০ থেকে ৩০০০ মার্কিন ডলার।

স্বাস্থ্য বীমা
মালয়েশিয়ায় পড়তে আসা বিদেশী ছাত্রছাত্রীদের অবশ্যই পর্যাপ্ত স্বাস্থ্য ও ভ্রমন বীমা থাকতে হবে। প্রতি সেমিষ্টারে বীমা খরচ ৩০ মার্কিন ডলার

অন্যান্য প্রয়োজনীয় তথ্য: 

কাজের সুযোগ:
মালয়েশিয়ায় একজন বিদেশী ছাত্র/ছাত্রী তাদের পূর্ণকালীন (Full Time) শিক্ষা শুরু করার পর কাজের
অনুমতির জন্য আবেদন করতে পারেন। একজন শিক্ষার্থী সেমিষ্টার পরবর্তী ছুটিতে অথবা ৭ দিনের
অতিরিক্ত মেয়াদের কোন ছুটিতে সপ্তাহে সর্বোচ্চ ২০ ঘন্টা কাজ করার অনুমতি পেয়ে থাকেন।

ক্যাম্পাসে কাজ করে যে উপার্জন করা সম্ভব তা দিয়ে টিউশন ফি বা জীবনযাত্রার ব্যয় নির্বাহ করা সম্ভব নয়। কাজ করতে আগ্রহী একজন শিক্ষার্থীর অবশ্যই “student pass” থাকতে হবে।

যেসব ক্ষেত্রে কাজ পাওয়া যায়: মালয়েশিয়ায় বিদেশী শিক্ষার্থীরা রেস্টুরেন্ট,
পেট্রোল পাম্প, মিনি মার্কেট ও হোটেলগুলোতে কাজ করতে পারেন। এসব কাজ থেকে মাসিক
৩০০ থেকে ৭৫০ মার্কিন ডলার পর্যন্ত উপার্জন করা সম্ভব।

ভিসা আবেদন : মালয়েশিয়ায় উচ্চ শিক্ষার্থে “student pass” এর জন্য ঢাকাস্থ মালয়েশিয়ান দূতাবাসে যোগাযোগ করতে হবে। দূতাবাস কর্তৃক নির্দেশিত প্রক্রিয়ায় আপনাকে ভিসার জন্য আবেদন করতে হবে। তবে ভিসা ইস্যু করা হবে মালয়েশিয়া থেকে।

ঢাকাস্থ মালয়েশিয়ান
হাইকমিশনের ঠিকানা:
বাড়ী- ১৯, রোড- ৬, বারিধারা,
ঢাকা-১২১২
ফোন: ৮৮২৭৭৫৯

কানাডার বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে  পড়তে কি কি কাগজপত্রের  প্রয়োজন হয়? প্রয়োজনীয় কাগজপত্র: কানাডায় কোন বিশ্ববিদ্যালয় ভর্তি হতে হলে ...









কানাডার বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে পড়তে কি কি কাগজপত্রের প্রয়োজন হয়?

প্রয়োজনীয় কাগজপত্র: কানাডায় কোন বিশ্ববিদ্যালয় ভর্তি হতে হলে একজন শিক্ষার্থীকে নিম্নলিখিত কাগজপত্রগুলো সংগ্রহ করতে হবে:
                                                    ১-পূরনকৃত আবেদন ফরম
                                                    ২-মানি অর্ডার/আবেদন ফি জমা দেয়ার রশিদ
                                                    ৩-শিক্ষাগত যোগ্যতার সনদ ও
                                      ৪-মার্কশীটের ফটোকপির ইংরেজী ভার্সন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের ছাড়পত্র
                                                ৫-টোফেল বা আইইএলটিএস এর স্কোর শীট স্যাট, জিআরই, জি ম্যাট, (চাহিদা
সাপেক্ষে) এর স্কোর শীট
                                                  ৬-আর্থিক স্বচ্ছলতার গ্যারান্টিপত্র (স্পন্সর এর পক্ষ থেকে) পাসপোর্টের                                                                ফটোকপি



কানাডার বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে কি কি বিষয়ে অধ্যয়ন করা যায়?

কানাডার বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে রয়েছে পাঠ্য বিষয়ের এক বিপুল সমারোহ। আপনি নিচের বিষয়গুলো থেকে
বেছে নিতে পারেন আপনার পছন্দের বিষয়টি
কম্পিউটার সাইন্স
ফুড সাইন্স
বায়োলজি
রসায়ন
ইলেকট্রনিক্স
মেডিকেল সাইন্স
ইনফরমেশন ম্যানেজমেন্ট
কৃষি অর্থনীতি
সিভিল ইঞ্জিনিয়ারিং
ইতিহাস ও ধর্ম
ইংরেজী সাহিত্য প্রভৃতি


কানাডার বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে ভর্তির জন্য কিভাবে আবেদন করতে হবে?

 প্রতিষ্ঠানের এডমিশন অফিসে বিস্তারিত তথ্যের জন্য মেইল করুন। বিশ্ববিদ্যালয়ের ওয়েবসাইট থেকেও আবেদন ফরম সংগ্রহ করতে পারেন। কিছু বিশ্ববিদ্যালয়ে অনলাইনে আবেদন করার সুযোগ রয়েছে। এডমিশন অফিস থেকেই আপনি প্রয়োজনীয় সব তথ্য যেমন: প্রয়োজনীয় দলিলপত্রাদি, ভিসার জন্য প্রয়োজনীয় কাগজপত্র ইত্যাদি
সম্পর্কে প্রয়োজনীয় তথ্য পাবেন। ভর্তি প্রক্রিয়ার সঙ্গে সংশ্লিষ্ট কার্যক্রম সাধারনত ১ বৎসর সময় হাতে রেখে শুরু করতে হয়। সাধারনত আবেদন করার সময়সীমা শেষ হওয়ার ৬-৮ মাসের মধ্যে প্রতিষ্ঠানের সিদ্ধান্ত জানিয়ে দেয়া হয়।

কানাডার উচ্চ শিক্ষা প্রতিষ্ঠানসমূহে সেমিষ্টার সময়সূচী কি?
সাধারনত ৩টি সেমিস্টারে ছাত্রছাত্রী ভর্তি করা হয়:
ফল সেমিস্টার : সেপ্টেম্বর থেকে ডিসেম্বর
উইন্টার সেমিস্টার: জানুয়ারী থেকে এপ্রিল
স্প্রিং/সামার সেমিস্টার: মে থেকে আগষ্ট

কানাডার বিশ্ববিদ্যালয়ে বিভিন্ন কোর্সে ভর্তির শিক্ষাগত ও ভাষাগত যোগ্যতা এবং কোর্সের মেয়াদ কি ?
বিভিন্ন প্রোগ্রামে ভর্তি হওয়ার শিক্ষাগত, ভাষাগত ও অন্যান্য যোগ্যতা:

         
ব্যাচেলর ডিগ্রী
কমপক্ষে ১২ বৎসর মেয়াদী শিক্ষা
কমপক্ষে ৬-৬.৫ আইইএলটিএস স্কোর
স্ট্যাট-II (কিছু ক্ষেত্রে বাধ্যতামূলক)

মাস্টার্স ডিগ্রী
কমপক্ষে ১৬ বৎসর মেয়াদী শিক্ষা ,কমপক্ষে ৬-৬.৫ আইইএলটিএস স্কোর কিছু কিছু বিশ্ববিদ্যালয়ে GRE, GMAT ইত্যাদির প্রয়োজন হয়।

কানাডার বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে অধ্যয়ন করতে কেমন ব্যয় হবে বা কত টাকা লাগে?
শিক্ষা ব্যয়:
বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষাব্যয়ের পরিমান বিভিন্ন। তবে গড়ে বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে
আন্ডার গ্র্যাজুয়েট পর্যায়ে ৬ হাজার কানাডিয়ান ডলার থেকে ১৭০০০ ডলার পর্যন্ত ব্যয় হয়ে থাকে।
আর গ্র্যাজুয়েট পর্যায়ে ৬০০০ থেকে ৩০০০০ ডলার পর্যন্ত খরচ হতে পারে।

জীবনযাত্রার ব্যয়: একজন শিক্ষার্থীর সারা বছরের থাকা খাওয়া ও অন্যান্য খরচের
জন্য প্রায় ১১০০০ থেকে ১৪০০০ ডলার প্রয়োজন হয়।


কানাডার বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে অধ্যয়নকালীন চাকুরী করার কোন সুযোগ আছে কি?

 অধ্যয়নরত শিক্ষার্থীরা পড়াশনার বাইরে সপ্তাহে ২০ ঘন্টা কাজের অনুমতি পেয়ে থাকে যা তাদের স্টুডেন্ট ভিসার মেয়াদ পর্যন্ত কার্যকর থাকবে। যেসব ক্ষেত্রে একজন শিক্ষার্থীর কাজ করার সুযোগ রয়েছে সেগুলো হচ্ছে:
লাইব্রেরী এসিষ্ট্যান্ট 
হাউজ কিপিং এটেনড্যান্ট
সার্ভিস ম্যানেজার
হেয়ার ড্রেসার
বীচ লাইফ গার্ড
সিকিউরিটি গার্ড
রিটেইল ক্যানভাসার
একাউন্ট্যান্ট
ফ্রুট প্যাকিং ইত্যাদি

ধন্যবাদ সবাইকে...
আরো প্রশ্ন থাকলে এখানে করতে পারেন।
ফেসবুকে আমি শাওন

Featured Posts

Featured Posts

Featured Posts

Popular Posts

Socialize Us